আজ শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২০ ইং, ২৬ আষাঢ় ১৪২৭

দৃষ্টিনন্দন মদিনা মসজিদ আলো ছড়িয়েছে চরখরিচায়

Sunday, September 22, 2019

স্টাফ রিপের্টার: মদিনা মসজিদের আদলে ময়মনসিংহে নির্মান করা হচ্ছে মদিনা মসজিদ। শহরের পাশে চর খরিচা গ্রামে দৃষ্টিনন্দন মদিনা মসজিদ আলো ছড়িয়েছে। ইতিহাসের পাতায় স্থান করে ন্ওেয়ার মতো এই মসজিদে প্রতি শুক্রবার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ নামাজ পড়ার জন্য ভিড় জমায়।বর্তমানে প্রায় ৭৫%কাজ শেষ হয়েছে,আগামি দুই বছরের মাঝে মসজিদ এর কাজ সম্পূর্ণ শেষ হতে পারে।
এই মসজিদ এর প্রতিষ্ঠাতা হলো ফকির উম্মাহ মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান দা.বা.আমীর ,মসজিদে দ্ওায়াতুল হক বাংলাদেশ,মুহতামিম জামিয়া মাদানিয়া যাত্রাবাড়ি ঢাকা ,খতিব গুলশান সেন্টাল মসজিদ ঢাকা।মসজিদটি মসজিদে নববীর আদলে তৈরি।এজন্যএর নামকরন করেন করা হয় মদিনা মসজিদ । তিনি নিজেই এর নামকরন করেন।তিনি নিজে ৩মার্চ২০১৭ তারিখ জুময়ার নামাজ আদায়ের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন ।অর্থয়ানে ঃমহিউল সুন্নাহ মাহমুদুল হাসান দা.বা.্ও তার মুতাআলেক্বিন ্ও মুহিব্বিন ।মসজিদটি নির্মাণে ব্যায় ধরা হয়েছে প্রায় ২শ কোটি টাকা।প্রজেক্ট ইঞ্জি.মুহা.কামরুজ্জামান এর সাথে কথা বলে জানা যায় যে,উক্ত মসজিদ এর প্রস্তুতি কাজ শুরু হয় ১১সেপ্ট.২০১১সালে।মসজিদ এর ভবন তৈরির কাজ শুরু করা হয় ২০১২সাল থেকে।চার তলা বিশিষ্ট ১৯,৭০৬স্কয়ার ফিট জায়গায় মসজিদটির কাতার সংখ্যা হবে ১৯টি।প্রতি তলায় প্রতি কাতারে ১১০জন মুসল্লি নামাজে দাঁড়াতে পারবে।মসজিদটিতে রয়েছে ৯টি গুম্বজ,এর মাঝে ৪টি গুম্বজ মসজিদের চার কোনায় ,এবং চারটি গুম্বজ মসজিদের সামনের দিকে।সবচেয়ে বড় গুম্বজটি মসজিদের মাঝখানে অবস্থিত ।এর মাঝ খানের বড় গুম্বজটি ব্যতিত অন্য ৮টি গুম্বজ স্থীর।মাঝখানের বড় গুম্বজটি হলো চলমান( বৈদ্যুতিক গুম্বজ )।যা সুইজ এর সাহায্যে সরানো যাবে।সুইজ দ্ওেয়ার সাথে গুম্বজ সরে যাবে ছাদের দক্ষিন অংশে।মুসল্লিরা চায়লেই মাথার উপর খোলা আকাশ দেখতে পারবে।মসজিদে প্রবেশের মুল পথ হলো পূর্ব দিকে।এর মূল প্রবেশ এর সামনের দিকে রয়েছে দুটি সুউচ্চ মিনার।মিনার দুটির উচ্চতা হবে ১৬০ফুট।এখন মিনার দুটির মাঝে দক্ষিন পাশের মিনারটির কাজ করা হয়েছে ১২০ফুট এবং উত্তর পাশের মিনারের কাজ হয়েছে১০০ফুট।মিনার তৈরি কাজ বর্তমান।প্রবেশের মুল দরজা সহ ছোট বড় মোট ৬টি দরজা রয়েছে।জানলা রয়েছে,২য় তলায়২৬টি,৩য় তলায় ২৮টি,৪র্থ তলায় ২৮টি করে জানলা রয়েছে।মসজিদের মুল কাজ শুরু হয়েছে ২য় তলা থেকে।প্রতি তলার আয়তন হলো ১৯,৭০৬স্কয়ার ফিট ।মসজিদ এর পুরো কাজ করা হবে মারবেল পাথর দিয়ে।আর দরজা গুলো তৈরি করা হবে বার্মিজ সেগুন কাঠ দিয়ে ।প্রতিটি দরজা প্রায় দশ লক্ষ টাকা করে খরচ হচ্ছ্।েমসজিদে প্রবেশ করতেই চোখে পরবে মনোরম সৌন্দর্যেও দুটি ঝার বাতি ।এর ভিতরে ২৯টি ঝার বাতি দ্ওেয়া হবে।এই মসজিদ তৈরিতে গড়ে শ্রমিক লাগছে ৫০জন করে।কোন সময় ৩০জন শ্রমিক কাজ করে।যারা মসজিদ নির্মাণে কাজ করছে তারা রংপুর ,বরিশাল,রাজশাহী এই তিন জেলার।মসজিদটির কাজ প্রায় ৭৫% সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।মসজিদ নির্মান কাজ শেষ হতে আরো দু‘বছর লাগতে পারে,বলে জানিয়েছে ইঞ্জি.মুহা.কামরুজ্জামান।
মসজিদ সম্পর্কে ম্ওা:আব্দুল মান্নান মাহমুদ (ঢাকুবি হুজুর)এর সাথে কথা বললে জানা যায়,এই মসজিদ এর উদ্যোক্তা মজলিসে দ্ওায়াতুল হক বাংলাদেশর আমীর ,জামীয়া মাহমুদিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ,জামিয়া মাদানিয়া যাত্রাবাড়ির মহ্তামিম এবং গুলশান সেন্টাল মসজিদ এর খাতিব মুুহিউস সুন্নাহ্ আল্লামা মাহমুদুল হাসান দা.বা.।এই মসজিদ তার পৈতিক জমিতে নির্মাণ।বর্তমানে যেখানে মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে এখানে মাহমুদুল হাসান দা.বা. হুজরের থাকার ঘর ছিল।সারা বিশ্বে এই রকম মসজিদ রয়েছে ৩টি ।এদের মধ্যে ১টি হলো চরখরিচা ,সদর,মোমেনশাহী ,বাংলাদেশ।এছাড়্ওা এই মসিিজদ নিয়ে এক ছাত্রের “একটি মোবরক রজনী ”কথা বলেন ,১৪রজব ১৪৩৮হিঃমোতাবেক রোজ মঙ্গল বার অত্র জায়িার ইতিহাসে একটি সরণিয় রাত ।উক্ত রাতে জামিয়ার জনৈক ছাত্র স্বপ্নযুগে রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)কে দেখতে পান।রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)অত্র জামিয়ায় তাশরিফএনেছেন।আগমনের সুঃসংবা মুহুর্তের মধ্যে জামিয়ায় ছড়িয়ে পরে।উৎসুক ছাত্রগন রাসুলুল্লাগ(সাঃ)এর পাশে একত্রিত হতে থাকে ।ইতিমধ্যে রাসুল(সাঃ)মদিনা মসজিদে প্রবেশ করে একটি স্তম্বে হেলান দিয়ে বসে যান।এমতাবস্তায় নবীজির নূরের আলোকছটা চতুদিকে ছড়িয়ে পরে।রাসুল(সাঃ) ছাত্রদের উদ্দেশ্যে মূল্যবান নছিহত পেশ করেন ।উপস্তিত ছাত্র উস্ত্াদগন রাসুল(সাঃ) এর সাথে জিয়ারত ্ও মুসাহায় ধন্য হ্ওয়ার জন্য আদব ্ও বিনয়ের সাথে ভীর করতে থাকে ।অতপর তিনি মসজিদে মেহরাবে তাশরিফ অনয়ন করেন।মিম্ভারে দাড়িয়ে উপস্থিত হাজিরানে মসলিসকে উপদেশ দিয়ে পূর্বের স্তম্বে ফিরে আসেন এবং ছাত্র ্ও উস্তাদদের সাথে হাস্যউজ্জল চেহারায় আলোচনা অব্যহত রাখেন।এই মুহূর্তে ছাত্রটি ঘুম থেকে জেগে উঠে রাসুল(সাঃ) এর আজমত ্ও শানের দৃশ্য দেখে ক্রন্দন ্ও কাঁপতে থাকে।তিনি আরো বলেন,এখানে মাদ্রাসা ্ও মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা উদ্যোক্তা মাহমুদুুল হাসান দা.বা.।এবং তিনি সম্পূর্ণ দায়দায়ীত্ব ,খরচ সিংহভাগ তিনি ব্যবহার করেন।তিনি প্রতি মাসের ৫ম জুমআ দিন মদিনা মসজিদে আসেন ।মসজিদ নির্মানে তার মুল উদ্দেশ্য হল্ োআল্লাহ্ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন। মানুষের মাঝে ইসলাম ছড়িয়ে দ্ওেয়া।মানুষকে ইসলামের পথে আনা ।এই মসজিদে ইমাম থাকবে ২জন এবং খতিব থাকবে ৫জন।ময়মনসিংহ জেলার চরখরিচা গ্রামে গড়ে উঠছে আধুনিক মসজিদ ।যা বাংলার ইতিহাসে এক অন্যতম সংযোগ ।দূর থেকে দেখলে মানুষের দৃষ্টি কাড়বে।
নামঃ মদিনা মসজিদ। ঠিকানাঃ চর খরিচা,সদর ,মোমেনমাহী,বাংলাদেশ। ভৌগলিক অব¯্থানঃ মোমেনশাহী জেলার ব্রহ্মপত্র নদের উত্তর পাশে চরসিরতা ইউনিয়ন অন্তরগত শম্বুগঞ্জ থেকে পরানগঞ্জ রোড সংলগ্ন চরখরিচা গ্রামে দৃষ্টিনন্দন ঐতিহাসিক মসজিদ অবস্থিত। নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান ঃ সুবাস্ত ডেভেল পমেন্ট প্রাঃ লিঃ।,চেয়ারম্যান,সুবাস্ত ডেভেল পমেন্ট প্রাঃ লিঃ ডিজাইন ইঞ্জিঃ রেজাউল হক সিরাজী ।প্রজেক্ট ইঞ্জি.ঃ মুহা.কামরুজ্জামান।

No comments দৃষ্টিনন্দন মদিনা মসজিদ আলো ছড়িয়েছে চরখরিচায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাটাগরি
দিনপঞ্জিকা
July 2020
M T W T F S S
« Jun    
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031