ময়মনসিংহ - ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ || ৮ই আশ্বিন, ১৪২৭

শিরোনাম

খুঁড়িয়ে চলছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গত এক মাসে ১১জন লোক নিয়ে ৪৬ টি অভিযান


শফিয়েল আলমঃ খুঁড়িয়ে চলছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। লোক ও যানবাহন স্বল্পতায় মাদক নিয়ন্ত্রণে একেবারে পিছিয়ে আছে এ প্রতিষ্টান টি। জেলার দুটি সার্কেলে মাত্র ১১জন কর্মকর্তা কর্মচারী ও একটি গাড়ি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ০ টলারেন্স বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে ”াচ্ছে এ প্রতিষ্টান টি। এরই ধারাবাহিকতায় গত একমাসে ৪৬ টি অভিযান চালিয়েছে এ প্রতিষ্টানটি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গত জুলাই মাসে জেলার ক ও খ সার্কেলে শুধু অধিদপ্তর কর্তৃক ৪৬ টি
অভিযান পরিচালনা করে টাস্কফোর্সের মাধ্যমে ৫ টি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৩১ টি অভিযান পরিচালনা করে ২৪ টি মামলা দিয়ে ১৮ আসামীকে গ্রেফতার করে আর ৬ আসামী পলাতক রয়েছে। এই আসামী দের কাছ থেকে ৫০০ গ্রাম হেরোইন, ৬২৩ গ্রাম গাঁজা,৭৮ লিটার চোলাই মদ,২৮০ পিচ ইয়াবা, ১৭ এ্যাম্পুল ইনজেকশন ৩০ লিটার ওয়াজ যার আনুমানিক মূল্য একলাখ ৮০ হাজার ৬শ টাকা। যে খানে পুলিশ সহ র‌্যাব মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। সেখানে এ প্রতিষ্টান টি একেবারে পিছিয়ে । আর এ পিছিয়ে থাকার কারন হিসেবে লোক স্বল্পতা ও গাড়ি সংকট কে দায়ি করলেন প্রতিষ্টানের কর্মরত লোকজন। যেখানে ময়মনসিংহ দুটি সার্কেল ক ও খ একেক টি সার্কেলে ৬ টি করে উপজেলা রয়েছে ক সার্কেলে পরিদর্শক ১ উপ পরিদর্শক ২ সহকারী উপ পরিদর্শক ২ সৈনিক ২। খ সার্কেলে পরিদর্শক ১ সহকারি উপ পরিদর্শক ২ সৈনিক ১।মোট দুটি সর্কেলে ১১ জন লোকবল ১২ টি উপজেলা নিয়ন্ত্রণ করছে মাদ্রকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আর তারা ব্যবহার করছে মাত্র এক টি গাড়ি। তবে কখনো বিশেষ প্রয়োজনে গাড়ি ভাড়া করে তাদের কাজ সম্পাদন করে থাকে। এ বিষয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার এমন কয়েকজন বলেন মাদক নিমূর্লে পুলিশ র‌্যাবের পাশাপাশি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ ভূমিকা থাকা উচিত কারন তাদের এ কাজ লোক স্বল্পতায় বলে দিচ্ছে এরা কাজ করবে কিভাবে। তবে সরকারের এ বিষয়ে সুদৃষ্টি দেয়া উচিত।
এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিঃ বিভাগীয় পরিচালক এ এম হাফিজুর রহমান বলেন অতি শিগগিরই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধি দপ্তরে লোকবল যুক্ত করা হবে। এছাড়া ও গাড়ি ও ব্যব¯থা হচ্ছে অতি তারাতারি।

এই বিভাগের আরও খবর