ময়মনসিংহ - ২০শে অক্টোবর, ২০২০ || ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭

শিরোনাম

ভোগান্তির নাম শেরপুরের ঝিনাইগাতির বনগাঁও – জিগাতলা সড়ক!

ভোগান্তির নাম শেরপুরের ঝিনাইগাতির বনগাঁও - জিগাতলা সড়ক!

মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর প্রতিনিধি : শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের বনগাঁও বাজার থেকে জিগাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ৬ কি:মি: সড়ক এখন ভাগারে পরিনত হয়েছে। ভোগান্তির শেষ নেই। আশপাশের ১০ গ্রামের অন্তত: ১৫ হাজার মানুষের। আছে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,৪টি সমজিদ, দুটি বাজার। ভোক্তভোগীরা জানিয়েছেন, সড়কের এই দুরাস্থার মাদ্রাসাগুলো এখন খোলা থাকলেও শিক্ষার্থী আসে না। বাজারেও যেতে পারে না মানুষজন। মসজিদে মুসুল্লী নেই। রাস্তার পাশে হাজার খানেক রাড়ীঘরের মানুষ অবরুদ্ধ হয়ে পড়লেও কোন জনপ্রতিনিধি খবর নেয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।অসংখ্য কৃষক জানিয়েছেন, কৃষি প্রধান এই অঞ্চলটিতে হাজার হাজার মন ধান উৎপাদন হয়।রাস্তার কারণে বাজারে ধান আনা নেওয়া করা যায়না। কম দামে ফরিয়াদের কাছে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। ক”জন দুধ খামারি জানিয়েছেন, রাস্তার কারণে বাজারে নিয়ে দুধও বিক্রি করা যাচ্ছেনা। এলাকার শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বর্ষার ছ’মাস তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না। সাধারন মানুষের অভিযোগ, এই রাস্তাটির কারণে এই এলাকার মানুষের সাথে কেউ আত্মীয়তা করতে চায় না।২৫ বছর ধরে জনপ্রতিনিধিরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নিয়ে আসছেন রাস্তার করে দিবেন,কিন্তু হয়নি।সরকারের কাছে জনসাধারনের দাবী চলাচলের জন্য অন্তত: ইটের সলিং করে দেওয়া হোক। গৌরীপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মন্টু জানিয়েছেন, এমপি ছাড়া দু’পয়সার কাজ করার ক্ষমতা চেয়ারম্যানের নেই। এমপির উপর দায় দিয়ে তিনি বলেন, শুনেছি রাস্তার টেন্ডার হয়েছে। স্থানীয় সরকার উপজেলা প্রকৌশলি মোজাম্মেল হোসেন জানিয়েছেন, জনগুরুত্ব বিবেচনায় স্থানীয় এমপি রাস্তাটি করতে নির্দেশ দিয়েছেন।সত্তর কার্পেটিংসহ ইটের সোলিং এর টেন্ডার হবে।আগামি শীতেই মানুষজন সুফল পাবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

এই বিভাগের আরও খবর