ময়মনসিংহ - ২৯শে অক্টোবর, ২০২০ || ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭

শিরোনাম

মধুপুরে আধিবাসী বাসন্তী রেমার কলা গাছ কর্তনের প্রতিবাদে জনউদ্যেগের ভার্চুয়াল সভা অনুষ্টিত

কলা গাছ কর্তনের প্রতিবাদে জনউদ্যেগের ভার্চুয়াল সভা অনুষ্টিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ

টাংগাইলের মধুপুরে ১১ নং শোলাকুড়ী ইউনিয়নে পেগামারী গ্রামের আধিবাসী বাসন্তী রেমা ৪০ শতাংশ আবাদি জমিতে গত ১৪ সেপ্টেম্বর সকালে বন বিভাগ কলা গাছ কর্তন করায়্তে এর প্রতিবাদে ১৭ সেপ্টেম্বর জনউদ্যোগ ময়মনসিংহ কমিটির উদ্যোগে এক ভার্চুয়াল সভা অনুষ্টিত হয়।

রাত ৯ টা থেকে ১১ টা পযর্ন্ত সভায় জনউদ্যোগ ময়মনসিংহ কমিটির আহবায়ক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম চুন্নুর সভাপতিত্বে আরো যুক্ত ছিলেন আদিবাসী ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, আদিবাসী যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি হরেন্দ্র নাথ সাইং, সিপিবি ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সভাপতি অ্যাড. এমদাদুল হক মিল্লাত, আইইডির কেন্দ্রীয় সংগঠক জ্যোতি চট্রোপাধ্যায়, জনউদ্যোগ ঢাকা কমিটির সদস্য সচিব তারিক হাসান মিঠুল, ময়মনসিংহ জনউদ্যোগের অ্যাড. শিব্বির আহাম্মেদ লিটন, অ্যাড. আবুল কাশেম, রতন সরকার, অ্যাড. আবদুল মোত্তালেব লাল, অধ্যাপক লুৎফুন্নাহার এবং সদস্য সচিব শাখাওয়াত হোসেন। বক্তারা বলেন

১৪ তারিখের ঘটনাটিকে অত্যন্ত জঘন্য ও নাশকতা হিসেবে উল্লেখ করেন। পাহাড়ী কিংবা সমতলে অবস্হানরত আদিবাসীরা বংশ পরম্পরায় ভূমি চাষাবাদ করে, জুম চাষ করে জীবীকা নির্বাহ করে আসলেও ভূমির মালিকানা স্বত্ত্বের কাগজপত্র তৈরিতে কখনও তৎপর ছিলেন না। তারা মনে করেন, ভূমিই তাদের মা। মায়ের সাথে সন্তানের সম্পর্কের যেমন দলিল লাগে না, নাড়ীর সম্পর্কটাই আসল; আদিবাসীদের সাথে তাদের পূর্বপুরুষের আমলের বসবাস ও আবাদী ভূমির সম্পর্কটাও তেমনি। তাদের এই অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। বন, পাহাড়, পরিবেশ ও আদিবাসী কখনই একে অন্যের প্রতিপক্ষ না হলেও তথাকথিত আধুনিকতা ও উন্নয়ন আজ এই চার পক্ষেরই প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৯ এর পার্লামেন্ট নির্বাচনে তার নির্বাচনী ইশতেহারে ভূমিতে আদিবাসীদের সনাতনী অধিকার সংরক্ষণে আইন করে বিশেষ ব্যবস্হা গ্রহণের অঙ্গীকার করে।

ভূমিতে আদিবাসীদের অধিকারকে আন্তর্জাতিকভাবে Customary Rights এবং তাদের Community Property হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর