ময়মনসিংহ - ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ || ৩রা আশ্বিন, ১৪২৭

শিরোনাম

মাইক্রোসফট টিকটককে লুটে নিতে চাইছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রোষানলে পড়েছে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো। সবচেয়ে বেশি পুড়ছে জনপ্রিয় হওয়া হুয়াওয়ে ও টিকটক। এর মধ্যে হুয়াওয়েকে নিষিদ্ধ করেছেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রোষানলে পড়েছে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো। সবচেয়ে বেশি পুড়ছে জনপ্রিয় হওয়া হুয়াওয়ে ও টিকটক। এর মধ্যে হুয়াওয়েকে নিষিদ্ধ করেছেন ট্রাম্প। আর টিকটকের জন্য বেঁধে দিয়েছেন নির্দিষ্ট ৪৫ দিন সময়।
এই সময়ের মধ্যে মার্কিন কোনো প্রতিষ্ঠান যদি টিকটককে কিনে নিতে না পারে, তবে টিকটক যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ হয়ে যাবে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে টিকটক কেনার প্রচেষ্টার কথা বলেছে মার্কিন সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। চলছে দর-কষাকষি। কিন্তু তারা টিকটককে কিনতে চাইছে পানির দামে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট বলছে, মাইক্রোসফট টিকটককে কেনার জন্য যে দর হাঁকাচ্ছে, তাতে টিকটককে কেনা তাদের পক্ষে সম্ভব হবে না।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মাইক্রোসফটের জন্য টিকটককে কেনার সম্ভাবনা বড়জোর ২০ শতাংশের বেশি হবে না। মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে টিকটককে কেনার জন্য যে দাম বলা হচ্ছে, তা অনেকটাই গেরস্তের ঘরে আগুন লাগলে তাকে লুটে নেওয়ার মতো ঘটনা।
মাইক্রোসফট ছাড়াও টিকটককে কিনতে আগ্রহ দেখিয়েছে টুইটার। কিন্তু টুইটারের কাছে টিকটককে কেনার মতো যথেষ্ট অর্থ নেই।
টিকটকের সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, টিকটকের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চীনের বাইটড্যান্স ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে লড়াই করতে মাঠে নামছে। তারা আইনি লড়াই চালাবে। এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রে যাতে অ্যাপটি বন্ধ না হয়, সে লক্ষ্যে জনসংযোগের ক্ষেত্রেও জোর দেবে।
বাইটড্যান্সের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
ট্রাম্পের আদেশের বিরুদ্ধে করা মামলায় টিকটক দাবি করছে, তাঁর আদেশ সংবিধানসম্মত নয়। তারা টিকটকের প্রতিক্রিয়া জানানোর সুযোগ রাখেনি।
৬ আগস্ট ট্রাম্পের সই করা নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, টিকটক যে তথ্য সংগ্রহ করে, তা চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কাছে চলে যায় এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ব্যক্তিগত ও প্রতিষ্ঠানের তথ্যে নজরদারি করতে পারে। চীনা কোম্পানিগুলো যে অ্যাপ তৈরি করছে, তা জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য হুমকি।
ওই নির্বাহী আদেশের পর টিকটকের এক ব্লগ পোস্টে বলা হয়, ‘আমরা পরিষ্কার করে বলেছি চীন সরকারের সঙ্গে টিকটক কোনো তথ্য বিনিময় করে না বা তাদের কথামতো কোনো তথ্য সেন্সর করে না।’
ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ কোনো উপযুক্ত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে করা হয়নি বলেও টিকটকের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর