ময়মনসিংহ - ২০শে অক্টোবর, ২০২০ || ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭

শিরোনাম

রকি হাওয়াই মিটাই বানিয়ে জীবন কাটিয়ে দিতে চায়

রকি হাওয়াই মিটাই বানিয়ে জীবন কাটিয়ে দিতে চায়


শফিয়েল আলম ঃ
কোভিট১৯ মানুষ কে অনেক কিছুই শেখিয়েছে। পেশাকে করেছে পরিবর্তন হোটেল ব্যবসায়ী জীবিকার টানে চালিয়েছে রিক্সা আবার মুদি দোকানদার দোকান বাদ রেখে ব্যবসা করেছে সবজির।করোনা আমাদের মাঝে বিরাজ করলেও লকডাউন না থাকায় আবার যার যার পুরাণো ব্যবসায় ফিরে যাচ্ছেন। তেমনি শফিকুল ইসলাম রকি লক ডাউনে রিকসা চালালেও এখন তাঁর ব্যবসা হাওয়াই মিটাই বানানোর মনোনিবেশ করেছেন।

প্রতিদিন সকালে তাঁর টাংগাইল বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন ছোট্ট একটি ঘরে হাত ঘুরিয়ে হাওয়াই মিটাই বানাচ্ছেন।মেশিনের উপরিভাগের ছিদ্রর উপর চিনি ও রং মিশ্রিত উপাদান গুলো একটু পরিমান মতো ধরতে ঘন জালের মতো ছড়াতে থাকে এবং এর ভিতর একটা বাশের কাঠি দিয়ে প্লাস্টিক মাড়িয়ে রাখা হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট স্থানে। প্রতিদিন চারশ থেকে ছয়শ হ্ওায়াই মিটাই তৈরি করে ময়মনসিংহ জয়নুল আবেদিন পার্কসহ বিভিন্ন স্থানে কয়েকজন হকার রকির কাছ থেকে কিনে নিয়ে যায়। রকি শুধু হ্ওায়াই মিটাই তৈরি করে না গ্যাস বেলুন স্টিক বেলুন,বেলুন কেক, হিন্দুদের বিয়ের কুন্জু এবং গায়ে হলুদের অনুষ্টানে বেলুন দিয়ে সাঝিয়ে দেয়। এছাড়া বিভিন্ন অনুষ্টানের বেলুন উড়ানোর যোগানদাতাও এই রকি। কাটমিস্ত্রী মৃত খোকন মিয়ার ছোট ছেলে রকি। ছোট থাকতেই দরিদ্রের কষাঘাতে বড় হওয়া রকি প্রথম দিকে কাট মিসিত্রর কাজ করলেও মন না বসায় সে অল্প পুজিঁ দিয়ে গ্যাস বেলুনের ব্যবসা শুরু করে।বিভিন্ন কার্টুনের অবয়বে রকি তৈরি করতে পারে রং বেরং এর বেলুন । এর পর হাউয়াই মিটাই এর মেশিন কেনে ব্যবসা শুরু করে ঠিক বেলুনের মতো দেখতে বড় হাওয়াই মিটাই শিশুদের অনেক প্রিয় । রকি তিন চার কর্মচারী দিয়ে এ ব্যবসায় সফলতা পাওয়ায় সে খুব খুশি। বাকি জীবনটাও এ ব্যবসা চালিয়ে যেতে চায় রকি।

এই বিভাগের আরও খবর