ময়মনসিংহ - ২০শে অক্টোবর, ২০২০ || ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭

শিরোনাম

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ৩ বছরেও সংস্কার হয়নি মালিঝি নদীর বিধ্বস্ত বেড়ীবাঁধ:১৫ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার পাগলারমুখ মালিঝি গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ নদীর বিধ্বস্ত বেড়ীবাঁধটি চলাচলের অনুপযোগী হলে গত ৩ বছরেও সংস্কার হয়নি। ফলে এ পথে যাতায়াতকারী ১৫ গ্রামের মানুষের চরমদুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

 পাগলারমুখ-তিনানী সড়কের মালিঝি নদীর এ বেড়ীবাঁধটি ২০১৭ সালে অভিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানির তোড়ে বিধ্বস্ত হয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনের জন্য আজও  কোন প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

এলাকাবাসী

এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনের জন্য একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। এ সাঁকোর উপর দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে পাড়াপাড় হতে হচ্ছে পথচারীদের। ঘাগড়া কামারপাড়া গ্রামের শামসুল হক, শফিউল্লাহ, আলামিন, আয়বালীসহ আরো অনেকেই জানান, এ পথে হাতীবান্ধা, ঘাগড়া কামারপাড়া, প্রধান পাড়া, মিরপাড়া, চকপাড়া, মোল্লাপাড়া, পাগলারমুখ, পাগলারপাড়, তিনানী, সুরিহারা, বেলতলী, কাঠালতলীসহ প্রায় ১৫ টি গ্রামের মানুষ এ পথে যাতায়াত করে থাকে।

গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

 হাতীবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন জানান, বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধটি সংস্কারের অভাবে এ পথে যাতায়াতকারী শত শত মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এর ফলে নানা রকম নতুন সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে এবং দিন দিন মানুষের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। এভাবে চলতে থাকলে পরবর্তীতে  সমাধান  করা  কঠিন  হয়ে  যাবে  এলাকায় উৎপাদিত কৃষিপণ্য সঠিক সময়ে বাজারজাত করতে পারছেন না। গবাদিপশু পাড়াপাড়ে বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে কৃষকদের। কোমলমতি শিশু কিশোররা স্কুল কলেজে যাতায়াতের সময় মাঝে মধ্যেই দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে।

 শুধু তাই নয় বিধ্বস্ত বেড়ী বাধেঁর ভাঙা অংশ দিয়ে পানির সাথে বালু প্রবেশ করে ফসলি জমি চাষ আবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। হাতীবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন দোলা জানান, বিধ্বস্ত বাধঁটি সংস্কারের বিষয়ে বিভিন্ন সময় উপজেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় আলোচনাও হয়েছে কিন্তু কোনো কাজে আসেনি।

 উপজেলা প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক বলেন, বাধঁটি নদীর পাড় ঘেঁষা হওয়ায় এল জি ই ডি এর পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, এটা পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্ব। উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ এস এম এ ওয়ারেছ নাঈম বলেন, বেড়ী বাঁধটি সংস্কারের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে আলোচনা হয়েছে অতি তাড়াতাড়ি বাঁধটি সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবর