ময়মনসিংহ - ২৯শে অক্টোবর, ২০২০ || ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭

শিরোনাম

শেরপুরে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযানে ১০টি অটো ও ৭২টি হাস্কিং মিল চাল সরবরাহ করতে পারেনি

শেরপুরে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযান

মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর প্রতিনিধি :

দেশের ধান চাল অধ্যুষিত জেলা গুলোর মত শেরপুর জেলা চাল সরবরাহ মধ্যে অন্যতম জেলা। এ বছর বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ ২০২০ এর আওতায় শেরপুর সদর উপজেলার ৪টি সিদ্ধ ও ৬টি আতপ অটো মিল এবং ৭২টি হাস্কিং মিল সরকারি খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এসব মিল গুলোর মধ্যে হাস্কিং মিল ছাড়া কোন কোন অটো রাইস মিল আংশিক চাল সরবরাহ করেছে।খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর এলএসডি (গ্রেড-১) চলতি বছরের ১৩ মে সরকারিভাবে ধান চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়। এতে অটো রাইস মিল সিদ্ধ ২২টি ও অটো রাইস আতপ ২৩টি এবং হাস্কিং মিল ২৪৮টি চাল সরবরাহ করতে চুক্তিবদ্ধ করে। এবছর শেরপুর এলএসডি (গ্রেড-১) এ ধান চাল সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ধান ৪৪৩৯.০০০ মেট্রিক টন, সিদ্ধ চাল ১৫৪৩৪.০৪০ মেট্রিক টন, আতপ চাল ২৩৬২.৯৮০ মেট্রিক টন। কিন্তু ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধান চাল সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয় ধান ৮৮১.৪০০ মেট্রিক টন, সিদ্ধ চাল ১২৪৭৬.৪৯০ মেট্রিক টন, আতপ চাল ১৭৩২.৮৯০ মেট্রিক টন।এদিকে ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ছিল শেরপুর এলএসডি (গ্রেড-১) খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহের শেষ দিন। কিন্তু এসব মিল গুলোর মধ্যে অটো সিদ্ধ ২২টির মধ্যে ৪টি আংশিক চাল সরবরাহ করেছেন তারা হলে- ফরহাদ আলীর ভুলু অটো রাইস মিল, ফারুক আহমেদ এর এসএফ অটো রাইস মিল, আমজাদ হোসেনের রাব্বী এগ্রো অটো রাইস মিল, হযরত আলীর রোজবার্গ অটো রাইস মিল। আর অটো আতপ রাইস মিল এর মধ্যে আংশিক চাল সরবরাহকারীদের মধ্যে রয়েছে ৬টি মিল তারা হলেন- ইসমাইল হোসেনের মন্ডল রাইস মিল, রমজান আলীর মোল্লা রাইস মিল, লিয়াকত আলী লবুর নূরজাহান রাইস মিল, তারিকুল ইসলামের কৃষাণ এগ্রো রাইস মিল এবং দেবাশীষ কুমার সাহার অদ্বীতি রাইস মিলসহ আরেকটি মিল রয়েছে।এছাড়াও সরকারি খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহ করতে চুক্তিবদ্ধ এমন হাস্কিং মিল রয়েছে ৭২টি। এসব মিল ১৫ সেপ্টেম্বর শেষ দিন পর্যন্ত কোন প্রকার চাল সরবরাহ করতে পারেনি।এব্যাপারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ ফরহাদ খন্দকার এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দেশবার্তা বিডি ডট কমকে জানান, অটোমেটিক রাইস মিল এবং হাস্কিং মিল এ বছর সরকারি খাদ্য গুদামে বোরো সংগ্রহ অভিযানে চাল সরবরাহ করতে চুক্তিবদ্ধ করেছিল ১৫ সেপ্টেম্বর শেষ দিন পর্যন্ত যারা চাল সরবরাহ করতে পারেনি তাদের বিরুদ্ধে জেলা খাদ্য সংগ্রহ মনিটরিং কমিটি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয় এসব মিল মালিকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এই বিভাগের আরও খবর