ময়মনসিংহ - ২০শে অক্টোবর, ২০২০ || ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭

শিরোনাম

শেরপুরে দুলাভাই কতৃর্ক শ্যালিকা ধষর্ণ! লম্পট দুলাভাই গ্রেফতার।

দুলাভাই কতৃর্ক শ্যালিকা ধষর্ণ! লম্পট দুলাভাই গ্রেফতার।

মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর প্রতিনিধি: নিজ স্ত্রীর সহোদর বোন শ্যালিকাকে (১৯) ধর্ষণ ও ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণের অভিযোগে মুন্না খান (২৮) নামে এক সফটওয়্যার প্রকৌশলিকে গ্রেফতার করেছে শেরপুর সদর থানার পুলিশ।

গত ১১ অক্টোবর রাতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মুন্না সদর উপজেলার সাপমারী গ্রামের আব্দুস সামাদ খানের ছেলে। আজ সোমবার বিকেলে পুলিশ তাকে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা হোসেন তুষি আগামী বুধবার রিমান্ড শুনানীর তারিখ ধার্য করে ধষর্ক মুন্নাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।শালিকার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধর্ষক মুন্না খানের শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুর জেলায়। গত ৭ অক্টোবর মুন্নার স্ত্রী সন্তান প্রসব করে। বোনের দেখাশোনা করার জন্য মুন্না তার শ্যালিকাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। দু’দিন থাকার পর শ্যালিকা ফরিদপুরে চলে যেতে চাইলে মুন্না তাকে ঢাকা পর্যন্ত দিয়ে আসবেন বলে রবিবার সকালে গাড়িতে করে শেরপুর শহরের নিজ বাসায় রাজবল্লভপুরে নিয়ে যায়।সেখানে মুন্না সকাল থেকে কয়েক দফায় শ্যালিকাকে ধর্ষণ করে এবং কয়েকজনের সহযোগিতায় ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে।

দুলাভাই মুন্না শ্যালিকাকে শাষিয়ে দেয়

দুলাভাই মুন্না শ্যালিকাকে শাষিয়ে দেয় যে, এ ঘটনা কাউকে জানালে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে।নিরুপায় হয়ে রবিবার রাতে শ্যালিকা ৯৯৯ ফোন করে ঘটনাটি পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ রাজবল্লভপুরের বাসা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। পরে মধ্যরাতে ধর্ষক মুন্নাকে শহরের হাসপাতাল রোড থেকে পুলিশ আটক করে। ওই ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে লম্পট ভগ্নিপতি ও তার ৩ সহযোগীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং পর্ণোগ্রাফী আইনে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করেন। এ ব্যাপারে সত্যতা নিশ্চিত করেন, শেরপুর সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানান, ওই ঘটনায় ভিকটিমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সদর থানায় ধর্ষণ ও পর্ণোগ্রাফ ধর্ষক ভগ্নিপতিকে পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সহযোগী অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান

এই বিভাগের আরও খবর